Monday , 10 August 2020
আম্পানের তাণ্ডবে চারঘাটে আমের ব্যাপক ক্ষতি, ৫০ পয়সা কেজি
আম্পানের তাণ্ডবে চারঘাটে আমের ব্যাপক ক্ষতি, ৫০ পয়সা কেজি

আম্পানের তাণ্ডবে চারঘাটে আমের ব্যাপক ক্ষতি, ৫০ পয়সা কেজি


ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কবলে রাজশাহীর চারঘাট-বাঘায় আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়েপড়া সেই আম বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ পয়সা কেজি দরে।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্পান বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত চারঘাট-বাঘায় তাণ্ডব চালায় বিরতিহীনভাবে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন আম সংশ্লিষ্টরা।

আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের দাবি, আমের এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব। এ ছাড়া অনেকে আমের চালান ঘরে তোলা দুষ্কর হবে বলে মনে করছেন তারা।

এমনই মহামারী করোনায় আম নিয়ে চাষি ও ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কারণ ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডব সব কিছু লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। আর কযেক দিন পরেই সব ধরনের আম পাড়া শুরু হবে। এরই মাঝে সব কিছু শেষ করে দিল আম্পান। কীভাবে আমে লাগানো পুঁজি ঘরে তুলবেন তা আল্লাহই জানেন।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রায়পুর এলাকায় সরেজমিন গেলে সেখানকার আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা এভাবেই তাদের কথাগুলো বলছিলেন।

কালুহাটি গ্রামের আমচাষি বীর বাহাদুর জানান, ঝড়ে আমসহ ভুট্টা ও তিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যে আম বিক্রি হতো ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে, সেই আম ঝড়ে পড়ে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ পয়সা কেজি দরে। আম কেনার লোকও পাওয়া যাচ্ছে না।

এমনকি মহামারী করোনায় আম নিয়ে রয়েছে সংশয়। তার ওপর এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সবার জীবনে বয়ে এনেছে কষ্টের হাঁড়ি। আমবাগানে যেতেই মন ভেঙে পড়ছে। এভাবে কখনও ঝড়ে এমন ক্ষতি হয়নি।

বিষয়টি সম্পর্কে উপপরিচালক রাজশাহী কৃষি কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যা পুষিয়ে ওঠা কঠিন হবে। তবে দুটি উপজেলায় গড়ে ১২ শতাংশ আমের ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ২৫-৩০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ফসলের তেমন একটা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে ঝড়ে আমসহ ফসলের ক্ষতি ছাড়াও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বুধবার সন্ধ্যা থেকে চারঘাট-বাঘা উপজেলা ছিল বিদ্যুৎবিহীন। কোথাও ছিল না বিদ্যুৎ। তবে দুপুরের দিকে দুটি উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে পারলেও অনেক এলাকা এখনও রয়েছে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায়।

বিষয়টি সম্পর্কে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২-এর চারঘাট জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপক মুক্তার হোসেন বলেন, বিদ্যুতের মেইন লাইনের ওপর গাছপালা ভেঙে পড়ায় অনেক এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই চেষ্টা করছি সব এলাকায় বিদ্যুৎ সচল করতে।

সার্বিক বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা সামিরা বলেন, ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে ঘরবাড়িসহ ফসলের তেমন ক্ষতি হয়নি।


About রিপোর্ট সোবহান

5 comments

  1. Like!! I blog quite often and I genuinely thank you for your information. The article has truly peaked my interest.

  2. I learn something new and challenging on blogs I stumbleupon everyday.

  3. I like this website very much, Its a very nice office to read and incur information.

  4. I used to be able to find good info from your blog posts.

Leave a Reply

Your email address will not be published.